এক প্র’/বাসী ভাই শখ করে তার সু’ন্দরী বউকে প্র’বাসে নিয়ে যায় কিন্তু বউ ক’/পিলের খ’/প্পরে প…See more

  


প্রবাসে থাকা স্বামীর সঙ্গে সুখের সংসারের স্বপ্ন নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন এক তরুণী। স্বামীও চেয়েছিলেন, দীর্ঘদিন দূরে থাকার কষ্ট আর একাকীত্ব দূর করতে স্ত্রীকে নিজের কাছে নিয়ে যাবেন। কিন্তু বিদেশে যাওয়ার পর ঘটে যায় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক ঘটনা—এমনই একটি গল্প ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।ছবিতে দেখা যায়, এক বিদেশি পোশাক পরা ব্যক্তির সঙ্গে তরুণীকে হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। অন্য একটি ছবিতে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তরুণীর ঘনিষ্ঠভাবে বসে থাকার দৃশ্যও রয়েছে।ছবিগুলোর সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের দাবি যুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা হচ্ছে। তবে ছবিগুলো কোন ঘটনা বা সময়ের—এবং এর পেছনে সত্যিই কী ঘটেছিল—তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ভাইরাল গল্প অনুযায়ী, স্ত্রীকে কাছে পেয়ে প্রবাসী স্বামী প্রথম দিকে বেশ আনন্দেই ছিলেন। নতুন পরিবেশে স্ত্রীকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করতেন এবং ঘুরতে নিয়ে যেতেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে পরিচিত মহলে নতুন কিছু মানুষের সঙ্গে স্ত্রীর যোগাযোগ তৈরি হয়। সেখান থেকেই নাকি সম্পর্কের জটিলতার সূত্রপাত।একপর্যায়ে স্বামী স্ত্রীর আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করেন বলে গল্পে দাবি করা হয়েছে। আগের মতো কথা বলা, সময় দেওয়া কিংবা পারিবারিক বিষয়ে আগ্রহ—সবকিছুতেই নাকি পরিবর্তন আসে। বিষয়টি নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে থাকে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টে ‘কপিলের খপ্পর’ কথাটি ব্যবহার করে ঘটনাটিকে আরও নাটকীয়ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে কোনো নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম, পুলিশি নথি বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য ছাড়া এমন দাবি নিশ্চিতভাবে সত্য বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়।ছবিতে এক ব্যক্তিকে কান্নারত অবস্থায় একটি তরুণীর ছবি হাতে বসে থাকতে দেখা যায়। এই দৃশ্যটি দেখে অনেকেই আবেগপ্রবণ মন্তব্য করছেন। কেউ বলছেন, প্রবাসে একাকীত্ব ও পারিবারিক দূরত্ব অনেক সময় সম্পর্কের ওপর বড় চাপ তৈরি করে। আবার অনেকে বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ছবি দেখে কোনো ঘটনা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।

Comments

Popular posts from this blog

স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে দুই বছর, জানা গেল তারা আপন...more

নারীর শরীরের ৮০%উত্তেজনা তৈরি হয় শরীরের পাঁ..See more

প্রাচীন রোমের এক ব্যক্তি ছিলেন সাইমন..more.